শংকর দত্তের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নিন্দা

প্রকাশিত: ১১:১০ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৪, ২০২৩

শংকর দত্তের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নিন্দা

নিউজ ডেস্ক : সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের উপনাট্য ও বির্তক বিষয়ক সম্পাদক ও ছাতকের প্রাণী সম্পদের এলএফএফ প্রকল্পের কর্মকর্তা শংকর দত্তের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার সিনিয়র সাংবাদিক বৃন্দ ও জেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

জানা যায়, গত সোমবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ছাতকের প্রাণীসম্পদ কর্মকতা (ইউএলও) মো. ইব্রাহিম মিয়ার অসৌজন্যমূলক আচরন ও এলএফএফ প্রকল্পের মালামাল সাধারণ ভুক্তভোগীদের মধ্যে বিতরণ করতে অনিহা ও টাইমসিটের সাইন করতে ঘুষ দাবীর প্রতিবাদ জানালে বাধে বাকদন্ডিতা থেকে হাতিহাতি হয়। এতে শংকর দত্তের আঙ্গুলে থাকা আংটির কারে ইব্রাহিম মিয়ার কপাল চিড়ে গিয়ে রক্ত বাহির হয়। তাছাড়া ঘটনার সময়টায় অফিস কক্ষে আর অন্যকোন লোকজন ছিলেন না।

এদিকে, হাতাহাতির পর দুজনেই আহত হলে চিকিৎসা নিতে ছাতক সরকারি হসপিটালে আগে পৌছে যান ইব্রাহিম মিয়া পরে চিকিৎসা করাতে যান শংকর । এসময় ইব্রাহিম মিয়ার চিকিৎসা চলমান থাকায় শংকর সেখানে পৌছালে ইব্রাহিম মিয়া ভাবেন শংকর আক্রমন করতে এসেছে এই ভেবে ভয়ে পেয়ে ফোন করে ছাতক থানা পুলিশ আনিয়ে সরকারি কাজে বাধাঁ সহ রাষ্ট্র বিরোধী মামলা করেন ইব্রাহিম মিয়া।

দৈনিক সুনামকন্ঠের সম্পাদক বিজন সেন রায়, সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের সম্পাদক পংকজ কান্তি দে, রির্পোটাস ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দিপংকর কান্তি দে, ভোরের কাগজ জেলা প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন শাহ্, ছাতক প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশিদ, ছাতক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানান।

সিলেট বিভাগীয় প্রাণীসম্পদের পরিচালক ডা. মারুফ হাসান জানান, যদি অফিস সংশ্লিষ্ট কেহ অফিসারের নির্দেশ না মানে তবে লিখিত ভাবে সংশ্লিট অফিসে উর্ধতন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগের এখতিয়ার রাখেন। তিনি কোন ভাবেই অফিসে ডেকে নিয়ে গালিগালাজ কিংবা গায়ে হাত তুলার অধিকার রাখেন না।

এব্যাপারে শংকর দত্ত জানান, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল। কিভাবে দুবছর টাইমসিটে সাইন ছাড়া বেতন হয়েছে ছাতক সহ দেশের অন্যান উপজেলায়। কেনো টাইমসিট শুধো ছাতকেই লাগে। তাছাড়া তিনি গায়ে পরে ঝগড়া করলেন আমার সাথে, আমার ছোট ভাইকে প্রোজেক্ট থেকে বাদ কেনো দিলেন? সে বিষয়ে রাষ্ট্রিয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলমান রয়েছে। সেই সাথে আমার বিরোদ্ধে হাতে গুনা কয়েকটা টাউট বাটপার মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। যার কোন ভিত্তি নেই।

এব্যাপারে ছাতক উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিম মিয়াকে ফোন করলে বন্ধ পাওয়া যায়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ